• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি পর্তুগালের ড্রতে র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় পরিবর্তন, লাভে ব্রাজিল

পাবলিক পরীক্ষায় ‘নীরব বহিষ্কার’ থাকছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১১ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে ‘নীরব বহিষ্কার’ বা সাইলেন্ট এক্সপেল-এর কোনো সুযোগ থাকবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়া কোনো শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা আইনগতভাবে বৈধ নয়।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এসএসসি, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা–২০২৬ সুষ্ঠুভাবে আয়োজন নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, শিক্ষা বোর্ডের নীতিমালায় থাকা বিতর্কিত ২৯ নম্বর ধারা অবিলম্বে বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নীরব বহিষ্কার বলে কোনো শব্দ থাকতে পারে না। ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ আইন দিয়ে আমরা যখন পরীক্ষা পরিচালনা করেছিলাম, সেখানেও এমন কোনো নিয়ম ছিল না। এটি সম্পূর্ণ আইনবিরুদ্ধ।”

তিনি আরও বলেন, শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই স্বচ্ছ ও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। “আপনি পরীক্ষা কক্ষে নকল করেছেন কি করেননি, তা সেখানেই প্রমাণিত হতে হবে। নীরবে বাড়িতে বসে কাউকে বহিষ্কার করার বিষয়টি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা বা বিশৃঙ্খলার কোনো শঙ্কা নেই বলে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কেন্দ্রগুলোতে কোনো ধরনের গোলযোগ হওয়ার সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না। এ কারণে নীতিমালার বিতর্কিত অনুচ্ছেদটি তাৎক্ষণিকভাবে সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘নীরব বহিষ্কার’ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি হওয়া উদ্বেগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা পরিচালনার নীতিমালাটি ১৯৬১ সালের পুরোনো কাঠামোর। সেখানকার অসংগতিপূর্ণ অংশ থেকেই বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে দ্রুত একটি স্পষ্টীকরণ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে বলে জানান ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “আগামী ২ জুলাই থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে এবং পরবর্তী পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে তা সম্পন্ন করা হবে।”

এছাড়া আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২১ এপ্রিল থেকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, নতুন কঠোর বিধিনিষেধ শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, বরং শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিবদের দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করার জন্য। তিনি বলেন, “আমরা পরীক্ষার্থীদের পেছনে ছুটছি না, বরং শিক্ষার গুণগত মান ও মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের দক্ষতা ও জবাবদিহিতার দিকে নজর দিচ্ছি।”

শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি জানান, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৈঠকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি জুম প্ল্যাটফর্মে দেশের সব জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং শিক্ষক প্রতিনিধিরাও যুক্ত ছিলেন।

ভিওডি বাংলা/এমএস 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
স্কুলে গান-নৃত্যে দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা: ববি হাজ্জাজ
স্কুলে গান-নৃত্যে দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা: ববি হাজ্জাজ
এমআইএসটি-তে ‘ফ্রেশার্স ডে ২০২৬’ উদযাপন
এমআইএসটি-তে ‘ফ্রেশার্স ডে ২০২৬’ উদযাপন
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের সাফল্য
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের সাফল্য