হরমুজে মার্কিন অভিযান
প্রজেক্ট ফ্রিডমে অংশ নেবে ১৫ হাজার সেনা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সংঘাতের বাইরে থাকা দেশগুলোর যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকে আছে, সেগুলোর নিরাপদে সরে যেতে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। তিনি এ উদ্যোগের নাম দিয়েছেন‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’।
ইরান যুদ্ধের দায়িত্বপ্রাপ্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। এতে যোগ দেবে ১৫ হাজার সেনা। থাকবে ক্ষেপণাস্ত্র–বিধ্বংসী ডেস্ট্রয়ার ও শতাধিক যুদ্ধবিমান।
সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের জন্য মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ৪ মে থেকে প্রজেক্ট ফ্রিডমে সহায়তা দেওয়া শুরু করবে।
এর আগে ট্রাম্প তার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, মধ্যপ্রাচ্যের সময় অনুযায়ী আজ সোমবার (৪ মে) সকালে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু হওয়ার কথা।
ট্রাম্পের মতে, জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি থেকে বেরিয়ে যেতে সহায়তা করা একটি ‘মানবিক পদক্ষেপ’। এটি যুক্তরাষ্ট্র আর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পাশাপাশি ইরানের পক্ষ থেকেও একটি সদয় আচরণ। কারণ, সেখানে অনেক জাহাজে খাদ্যসংকট দেখা দিচ্ছে।
এসময় ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ কাজে কেউ বাধা দিলে তাকে ‘কঠোরভাবে মোকাবিলা’ করা হবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরাসরি ইরানের অভ্যন্তরে হামলার চেয়ে এখন অবরুদ্ধ জলপথ মুক্ত করা এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা কাটানোকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন।
তবে বিপুল সংখ্যক সেনা ও যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ফলে ওই অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়ছে। যদি এই উদ্ধার অভিযানে ইরান বা অন্য কোনো পক্ষ বাধা প্রদান করে, তবে তা বড় ধরনের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভিওডি বাংলা/এসআর







