ঢাবির কুয়েত মৈত্রী হলে ‘পানিবাহিত রোগে’ অসুস্থ শতাধিক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কুয়েত মৈত্রী হলে শতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে শতাধিক শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে হাজির হয়েছেন।
এ অসুস্থতাকে ‘পানিবাহিত রোগ’ বলে ধারণা করছেন শিক্ষার্থী ও চিকিৎসকরা।
শনিবার (৯ মে) কুয়েত মৈত্রী হলের শিক্ষার্থী জুয়েনা আলম মুন বলেন, পানির ট্যাংক পরিষ্কার করার পর পানি থেকে ব্লিচিংয়ের গন্ধ আসে। মুখ ধুতে গেলে বা মুখে পানি নিয়ে কুলি করতে গেলে ব্লিচিংয়ের গন্ধে বমি আসে। গোসলের পানিতেও একই সমস্যা।
আরেক শিক্ষার্থী সাজরিন আমিন বলেন, ক্যান্টিনের খাবার ও পানি দুটোই দায়ী। ক্যান্টিনের রান্নার পরিবেশ নোংরা। এগুলো নিয়ে সব সময় বলা হয়, কিন্তু হল সংসদ কোনো ব্যবস্থা নেয় না। আমি কয়েকজনের কাছ থেকে শুনেছি, যারা ক্যান্টিনে খায় না, তাদেরও অনেকে অসুস্থ। তার মানে পানি থেকেই এমন হয়েছে, আমারও পানি থেকেই হয়েছে। এখন সবাই পানি কিনে খাচ্ছে।
হলে মেডিক্যাল ক্যাম্প বসানোর কথা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মোহাম্মদ ড. মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা তানভীর আলী। তিনি বলেন, গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার অন্তত ৬০ জন শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে আসেন। তারা ডায়রিয়া ও বমির চিকিৎসা নিয়েছেন। আমাদের দুজন চিকিৎসক সেখানে কাজ করছেন। প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়েছেন।
অসুস্থতার কারণ হিসেবে তানভীর আলী বলেন, বমি ও ডায়রিয়াজনিত সমস্যাগুলো সাধারণত পানি ও খাবারের কারণে হয়ে থাকে। শিক্ষার্থীদের ধারণা, তারা পানিবাহিত রোগে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে জানিয়ে হল প্রাধ্যক্ষ মাহবুবা সুলতানা বলেন, আমরা প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিয়েছি। পানির চৌবাচ্চাগুলো ইতোমধ্যে পেশাদার লোকজন দিয়ে পরিষ্কার করা হয়েছে। এখন অসুস্থ ছাত্রীর সংখ্যা কমছে।
ভিওডি বাংলা/এফএ







