শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষাব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার

সরকার দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি এ লক্ষ্যে নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কারের কাজ চলছে।
শনিবার (৯ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে আইআইইউএম অ্যালামনাই, বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের বার্ষিক সাধারণ সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক করতে মালয়েশিয়া, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শিক্ষা মডেল অনুসরণের পরিকল্পনা রয়েছে।
ড. মিলন বলেন, ‘দেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ জনগোষ্ঠীকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে হবে। বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ। আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ মানবসম্পদ। এই তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে হবে।’
শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষা খাতে জিডিপির বরাদ্দ ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের মেধাবীরা বিদেশে চলে যাচ্ছে, কিন্তু অনেকেই আর দেশে ফিরছে না। আমাদের এখন ব্রেইন ড্রেইন নয়, রিভার্স ব্রেইন ড্রেইন দরকার।
উচ্চশিক্ষা গ্রহণকারী বাংলাদেশিরা দেশের শিক্ষা খাত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনিন রশীদ, সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকন এবং সংসদ সদস্য ড. আতিকুর রহমান মুজাহিদ।
প্রফেসর ড. কাজী শাহাদাত কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, ড. ফয়জুল হক, ড. শামীম হামিদী, এস এম মোস্তফা আল মামুন।
আইআইইউএম অ্যালামনাই বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপস্থিত সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে ২০২৬-২৮ মেয়াদের জন্য ড. মুহাম্মদ আবদুল আজিজকে সভাপতি এবং ড. এম তুহিন মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
একই সঙ্গে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনসহ সাত সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
ভিওডি বাংলা/এসআর







