• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
ইসরায়েলি হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় সরকারের নিন্দা কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে নিজেদের জ্বালানি থাকতে বিদেশ থেকে আমদানি নয় শিক্ষার মান সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পষ্ট ধারণা নেই : শিক্ষামন্ত্রী কিউবায় যে কোনো সময় হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র চাঁদাবাজি বন্ধে সর্বোচ্চ কঠোর হবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সার্টিফিকেট নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ‘মাননীয়’ বলার প্রয়োজন নেই, ঢাবি শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী মেধা লালন করেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে চায়: প্রধানমন্ত্রী সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজিতেই বাজার অস্থির: জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগগুলো কোটি কোটি মানুষ ও পরিবারের: মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১২ মে ২০২৬, ০৪:১৫ পি.এম.
মাহদী আমিন । ছবি-ভিওডি বাংলা

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনার মাধ্যমে আগামী কয়েক বছরের ভেতর ধাপে ধাপে পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের কোটি কোটি পরিবারের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। কোটি কোটি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। তারা অর্থনৈতিকভাবে, সামাজিকভাবে আরও বেশি ক্ষমতায়িত হবেন। 

মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ১১ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘ট্রান্সফর্মিং হাইয়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্সি’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর নেওয়া নানা উদ্যোগ তুলে ধরেন মাহদী আমিন।  

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মূখপাত্র বলেন,  শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য শুধুমাত্র সার্টিফিকেট প্রদান করা না। একদিকে যেমন সার্টিফিকেটের গুরুত্ব রয়েছে। ঠিক একইভাবে আমরা চাই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমাদের শিক্ষার্থীদের ভেতর সুনাগরিকের গুণাবলি যেন গড়ে ওঠে। যেন তারা তাদের মেধা, মন শীলতা এবং সৃজনশীলতার পাশাপাশি ভ্যালিউস এবং প্রিন্সিপালস টাকে ধারণ করে, যেখানে তারা বাংলাদেশে থেকে গ্লোবাল সিটিজেন হয়ে উঠবেন। তাদের মাঝে সে মোরালিটি থাকবে যেখানে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি, সততা এবং নিষ্ঠা আমরা তৈরি করতে পারি। 

প্রধানমন্ত্রীর নানা পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, আসুন আমরা চিন্তা করি আজ থেকে কয়েক বছর পর একদম প্রান্তিক একটি এলাকার। সেখানকার কৃষিনির্ভর একটি পরিবারের কেমন হবে ভবিষ্যৎ? সেই পরিবারের যিনি প্রধান, তিনি একজন বৃদ্ধ কৃষক। তার হাতে একটি কৃষক কার্ড থাকবে। সে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে তিনি নিশ্চিত করবেন যে সরকারি যে ভর্তুকি সরাসরি উনার হাতে পৌঁছে যাচ্ছে, সেচ সার, বীজ, তেল এবং নিত্য প্রয়োজনীয় যে জিনিসগুলো রয়েছে যেগুলো তার কৃষি কাজের সাথে জড়িত সেগুলো স্বল্প খরচে সরকারি প্রণোদনার মাধ্যমে উনার কাছে পৌঁছে যাবে, উনি ওয়েদারের মাধ্যমে ফোরকাস্ট ইউজ করে কৃষিকে মডার্ন টেকনোলজিক্যাল ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে আরও একধাপ এগিয়ে নিতে পারবেন প্রোডাক্টিভিটি; তিনি পাবেন কৃষি ইনসিওরেন্স, তিনি পাবেন কৃষি লোন।  

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, তিনি যেই কৃষক কার্ড ব্যবহার করছেন সেই কৃষকের স্ত্রীর হয়ত একটা দুরারোগ্য ব্যাধি আছে, সে ব্যাধির জন্য আজকের বাংলাদেশে উনাকে ঢাকায় চলে আসতে হয়, কিন্তু সেই নারীর কাছে যখন পৌঁছে যাবে ই-হেলথ কার্ড। তার মাধ্যমে কিন্তু উনি সেখানে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে লোকাল এরিয়াতেই তার যদি কোন দুরারোগ্য বিধি থাকে সেটার ট্রিটমেন্ট পাবেন। গভর্নমেন্ট স্কিমের মাধ্যমে প্রাইভেট হসপিটাল থেকে বিনা খরচে সেই ট্রিটমেন্টটা আমাদের পরিকল্পনার ভিতরে রয়েছে, যা কার্যগ্রহ করা হবে হেলথ কার্ডের মাধ্যমে।

সেই পরিবারে যদি তিনজন সন্তান থাকে আমরা দেখতে পারি একজন সন্তান হয়ত একটা মসজিদের ইমাম সাহেব তার জন্য থাকবে সম্মানী ভাতা। তার রেগুলার যে উপার্জন আছে তার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় খরচে তিনি একটি সম্মানই পাবেন। দ্বিতীয় যে সন্তান তিনি হয়ত একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। তিনি হতে পারেন একটা স্কুলের শিক্ষক। যদি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক হন আজকের বাংলাদেশে হয়ত তার সেরকম সামাজিক মর্যাদা নাই। কিন্তু তার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ স্কিম রয়েছে। সেখানে একটা ট্যাবলেট কম্পিউটারের মাধ্যমে তার ট্রেনিং আরও বাড়বে। 

তিনি ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডের ট্রেনিং দিতে পারবেন কারিকুলাম হয়ে যাবে ডিজিটাল । সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব করা হচ্ছে পাবলিক স্কুলের প্রাইমারি স্কুলের টিচারদের উপরে কোয়ালিটি বাড়ানোর জন্য, তাদের সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর জন্য তার মাধ্যমে তার ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। 

তিনি আরও বলেন, সেই পরিবারে হয়ত একজন সন্তান রয়েছেন যিনি বর্তমানে কর্মদক্ষতা থাকার পরও বেকারত্বে পড়েছেন। কারণ তিনি যে ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন সেটি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আগামী বেশ কয়েক বছরের ভিতর যখন পর্যায়ক্রমে প্রতিটি চিনি কল প্রতিটি পাটকল এবং প্রতিটি পাটজাত পণ্যের যে-সব রিলেটেড ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে খোলা হবে, সেখানে কিন্তু তার মত লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে।

সেই পরিবারে একজন বোন আছেন, যে বোন হয়ত বর্তমান সময়ে বিশেষভাবে সরকারি কোন প্রণদানা পাচ্ছেন না, সরকারের কোন ইনভেস্টমেন্ট পাচ্ছেন না, উদ্যোক্তা হওয়ার পরও প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা যে সেই বোনের জন্য কিন্তু আমরা খুব স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করে দিতে পারি, যার মাধ্যমে তিনি স্বনির্ভর হয়ে উঠবেন। সেই তিন ভাইয়ের প্রতিটি ভাইয়ের স্ত্রীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড নিশ্চিত করা হবে। আর সেই ফ্যামিলি কার্ডে যে অর্থ পাবেন তার মাধ্যমে প্রতিটি নারী সামাজিকভাবে পারিবারিকভাবে যেন আরো ক্ষমতায়িত হবেন। 

মাহদী আমিন বলেন, ঠিক একই সঙ্গে তাদের সন্তানদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে পারবেন সেই সঞ্চিত অর্থের মাধ্যমে। যে বোন রয়েছেন তার হাজবেন্ড হচ্ছে আজকে বাংলাদেশে বিদেশে থেকে সহজে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারেন না বৈধ উপায়ে, আমাদের যে প্রবাসী কার্ড রয়েছে তার মাধ্যমে সেই স্বামী তার স্ত্রীর জন্য রেমিট্যান্স বৈধ উপায় পাঠাতে পারবেন। দেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাবে, তার পরিবারেও অর্থনৈতিক সংযুক্তির মাধ্যমে সমৃদ্ধি আরও ত্বরান্বিত হবে। সেই পরিবারে যারা সন্তানেরা রয়েছেন তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন, যখন ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হবেন তারা প্রত্যেকে নতুন ব্যাগ, জুতা ও নতুন স্কুল ড্রেস পাবে, যার মাধ্যমে দেখা যাবে যে উৎসাহ উদ্দীপনার মাধ্যমে স্কুলে অ্যাডমিশনের রেট অনেকটুকু বেড়ে যাবে। তাদের প্রত্যেকের “মিড ডে মিল” নিশ্চিত হবে, যার মাধ্যমে পুষ্টিগতভাবে প্রতিটা শিক্ষার্থী যেন হাইজিন পায়, যেন প্রপার ফুড পায় সেটা নিশ্চিত করা হবে।  

ভবিষ্যত শিক্ষা ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রী গড়ে তুলতে চাচ্ছেন, তার অংশ হিসেবে সেই পরিবারের প্রতিটি সদস্যের জন্য সুযোগ থাকবে। তারা বাংলাদেশে বসে বিশ্ব নাগরিক হয়ে উঠবে। কেউ আরাবি ভাষা, কেউ ফ্রেঞ্চ ভাষা ও কেউ ম্যান্দারিন ভাষা শিখবে। তাদের মাঝে কেউ গার্লস গাইডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে। কেউ স্কাউট রোভারের সঙ্গে, কেউ বিওসির সঙ্গে ও থাকবে, আমাদের যে ‘ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান ট্রি’ প্রোগ্রাম ও খালখানন কর্মসূচি রয়েছে প্রতিটিতে, তারা এই এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিজের মাধ্যমে সম্পৃক্ত হবে, সেই পরিবারের যারা স্কুলের পাশাপাশি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা করছে, তাদের জন্য আমরা সেই ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে চাই, যেখানে যে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, সে পলিসি সাপোর্ট পাবে, তার যে কন্টেন্ট সেটি সারা বিশ্বে এসে তুলে ধরতে পারবে, পেপালের মাধ্যমে পেমেন্ট পাবে। সেখানে ইনোভেশন গ্র্যান্ড কম্পিটিশন থাকবে, যারা ভালো করবে, সে ইউনিভার্সিটিতে যে শিক্ষার্থী পড়ছে তার পাশেই হাইটেক পার্ক বা বেসিককে তার জন্য কাজের ব্যবস্থা করা হবে। ইন্ডাস্ট্রি অ্যাকাডেমিক কোলাবরেশন তৈরি করা হবে। 

তিনি বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য থাকবে শিক্ষাব্যবস্থায় ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিক কোলাবোরেশন যেন বাড়ানো হয়। প্রত্যেকটি ইউনিভার্সিটি এবং তার পাশাপাশি যে-সব কলেজ রয়েছে সেখানে লোকাল যে প্রফেশনাল ইনস্টিটিউট, লোকাল যে বিজনেস ও লোকাল যে ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে, তার সঙ্গে একটা লিংকেজ তৈরি করতে হবে। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হয়েছে কারিকুলামটাকে কীভাবে ডেভেলপ করি, যার সাথে ট্রেনিং, প্রাক্টিক্যাল আরও বেশি সংযুক্তি আমরা তৈরি করতে পারি। আমাদের এডুকেশন সিস্টেমের এক্সট্রাকটিভিটি হবে কীভাবে আমরা টিমওয়ার্ক ডেভেলপ করতে পারি, ইন্টারপার্সন স্কিল এবং ট্রান্সফার স্কিল ডেভেলপ করতে পারি, সেগুলোকে প্রাধান্য দিতে হবে।  

প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ধীরে ধীরে ল্যাংগুয়েজ সেন্টার ওপেন করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা বিষয়ক এই উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী সবচেয়ে বেশি আলোচিত যেটি বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে বিদেশে সমাদৃত হচ্ছে সে দুটি স্কিম হচ্ছে থার্ড ল্যাংগুয়েজ ইন্ট্রোডিউস করা এবং টেকনিক্যাল এবং ভোকেশনাল এডুকেশনকে প্রায়োরিটি করা। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা চাই আপনারা ধীরে ধীরে ল্যাংগুয়েজ সেন্টার ওপেন করুন।

টেকনিক্যাল এবং ভোকেশনাল এডুকেশনের কোর্স ইন্ট্রোডিউস করুন। আমাদের মূল লক্ষ্য লক্ষ থাকবে ব্রেন ড্রেনকে ব্রেন সার্কুলেশনে রূপান্তর করা। অনেক বাংলাদেশের মেধাবী মানুষ বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় উনারা পড়াচ্ছেন গবেষণা করছেন। আমরা চাইলেই একটা ইকোসিস্টেম তৈরি করতে পারি যেখানে উনারা অন্ততপক্ষে বছরে একবার এসে সামার স্কুলে ক্লাস নিতে পারেন। রিসার্চ কোলাবোরেশন বাড়াতে পারেন। একজন ফ্যাকাল্টির মতন করে কাজ করতে পারেন। আমাদের অনেক প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি রয়েছে। সেখানে হয়ত গুণগত মানের আরও বৃদ্ধির প্রয়োজন। যেমন পাবলিক ইউনিভার্সিটির ক্ষেত্রে কীভাবে আমরা আমাদের গুণগত মান বৃদ্ধি করতে পারি। কীভাবে আমরা র‌্যাংকিং এ বাংলাদেশের টপ ইউনিভার্সিটি গুলোকে আরও একটু সামনের দিকে নিয়ে আসতে পারি, যেন বিশ্ব মানচিত্রে শিক্ষা ক্ষেত্রে আমরা একটি গৌরবের অবস্থায় থাকি। 

ভিওডি বাংলা/জা

 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
১৭ বছর পুলিশ পেটোয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে: আইজিপি
১৭ বছর পুলিশ পেটোয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে: আইজিপি
ইসরায়েলি হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত, সরকারের নিন্দা
ইসরায়েলি হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত, সরকারের নিন্দা
সার্টিফিকেট নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
সার্টিফিকেট নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: প্রধানমন্ত্রী