শাপলা চত্বর মামলা: ট্রাইব্যুনালে দীপু মনিসহ ৯ আসামি

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনিসহ ৯ আসামিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
রোববার (৭ জুন) সকালে কারাগার থেকে তাদের ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এদিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য রয়েছে।
প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ মে ডা. দীপু মনি, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। আজ তদন্ত প্রতিবেদন জমার নির্ধারিত তারিখ হলেও তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান থাকায় প্রসিকিউশন সময় বৃদ্ধির আবেদন করতে পারে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন— সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি শাহরিয়ার কবির এবং সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।
এর আগে, ৭ মে প্রসিকিউশন ডা. দীপু মনি, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্টের আবেদন করে। সে সময় প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম দাবি করেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত ঘটনার সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা দীপু মনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের পক্ষে বক্তব্য দেন। একইসঙ্গে সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ নিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য ও প্রচারণায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ আনা হয়।
প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় মোট ৫৮ জন নিহত হন। তদন্ত সংস্থা এ পর্যন্ত ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় একজন নিহতের পরিচয় শনাক্ত করেছে।
ভিওডি বাংলা/আ







