ক্রিকেট-বিসিবির দুর্নীতির তদন্ত করা হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, ক্রিকেট কিংবা ফুটবল—কোনো ক্ষেত্রেই অনিয়ম করে পার পাওয়ার সুযোগ থাকবে না।
শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)–এর নতুন পরিচালকদের সঙ্গে ক্রিকেটারদের মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত ১৭ বছর এবং শেষ দেড় বছরে বিসিবিতে যেসব অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং তারা কাজ শুরু করেছে।
তিনি বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে আগে এমন একটি ধারণা তৈরি হয়েছিল যে এখানে অনিয়ম করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। বর্তমান সরকার সেই সংস্কৃতি পরিবর্তনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। সংসদেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, তদন্তে কারও বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া গেলে তিনি যত প্রভাবশালীই হোন না কেন, তাকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে। জনগণ দ্রুতই তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে পারবে।
পূর্বাচলে বহুল আলোচিত ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্প নিয়েও কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রকল্প পরিদর্শনের সময় কিছু অনিয়ম ও অসচ্ছতার আভাস পাওয়া গেছে। বিষয়টি বিসিবি সভাপতিকে খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রয়োজনে আগের প্রক্রিয়া বাতিল করে নতুন করে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হবে, যাতে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়। এ প্রকল্পে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি দেশীয় যোগ্য প্রতিষ্ঠানও অংশ নিতে পারবে।
সবশেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন বোর্ডের উদ্যোগে আইন ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পূর্বাচল স্টেডিয়াম প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
ভিওডি বাংলা/আ







