• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
টপ নিউজ
ভারত পানি বন্ধ করলে যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করবে পাকিস্তান: উপপ্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসের পর আরেকটি দলের সমর্থন চাইলেন বিজয় পশুবাহী পরিবহনে চাঁদাবাজি হলে কঠোর ব্যবস্থা: মীর শাহে আলম কেরাণীগঞ্জে ট্রাকে ৬৯ বোতল ফেনসিডিলসহ যুবক গ্রেপ্তার গাবতলী হাটে নকল টাকা ঠেকাতে মেশিন, নজরদারি জোরদার সোহাদার পাশে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, চিকিৎসার পূর্ণ দায়িত্ব নিল সরকার মধ্যরাতে হলের তালা ভেঙে আবাসিক ছাত্রীদের বিক্ষোভ লিমন-বৃষ্টিকে মরণোত্তর পিএইচডি ডিগ্রি দিচ্ছে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাব আহত হওয়া এলাকায় রাতভর চিরুনি অভিযান, বিপুল মাদক ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের উত্থান, শ্রীলঙ্কা পেছনে

তারেক রহমান

শের-ই-বাংলা ছিলেন প্রজ্ঞাবান ও বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ

   ২৭ এপ্রিল ২০২৫, ০১:০৪ পি.এম.

নিজস্ব প্রতিবেদক 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক ছিলেন উপমহাদেশের এক অনন্যসাধারণ, প্রজ্ঞাবান ও বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ। মহান এই নেতার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে এক পোস্টে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ কথা বলেন।

পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘জাতীয় নেতা শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হকের মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি তার অক্ষয়-অমলিন স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।’

‘শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক ছিলেন উপমহাদেশের এক অনন্যসাধারণ, প্রজ্ঞাবান ও বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ। তিনি দেশের গণমানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত সংগ্রাম করে গেছেন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার জন্য তিনি ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। রাজনীতি, সমাজ, শিক্ষা, কৃষিসহ দেশের সামগ্রিক অগ্রগতিতে প্রভূত অবদান রাখেন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক।’

তারেক রহমান আরও লেখেন, ‘ঋণ সালিশি বোর্ড গঠনের মাধ্যমে বাংলার শোষিত ও নির্যাতিত কৃষককূলকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছিলেন। তিনি বঙ্গীয় চাকরি নিয়োগবিধি, প্রজাস্বত্ব আইন, মহাজনি আইন, দোকান কর্মচারী আইন প্রণয়ন করেন, যা এ অঞ্চলের অবহেলিত কৃষক-শ্রমিকের ভাগ্যোন্নয়নে যুগান্তকারী অবদান রেখেছে। আমাদের জাতীয় ইতিহাসে শের-ই-বাংলা ফজলুল হক ছিলেন এক অনন্যপ্রতিভার অধিকারী। স্বাধীনতার চেতনা ও গণতান্ত্রিকবোধ সৃষ্টিতে তার অসামান্য অবদানের কথা এদেশের মানুষের মন থেকে কোনোদিনই বিস্মৃত হবে না।

তার অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা আগামী প্রজন্মের রাজনীতিবিদদের জন্য অনুসরণীয় হয়ে থাকবে। দেশ এবং জাতির কল্যাণে অবদানের জন্য ইতিহাসের পাতায় তার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।’

উল্লেখ্য, আবুল কাশেম ফজলুল হকের জন্ম ২৬ অক্টোবর ১৮৭৩ সালে। মৃত্যুবরণ করেন ২৭ এপ্রিল ১৯৬২ সালে। শের-ই-বাংলা হিসেবে তিনি পরিচিতি লাভ করেন। তিনি প্রখ্যাত আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি রাজনৈতিক অনেক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তার মধ্যে কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩), পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪), পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (১৯৫৫), পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর (১৯৫৬-১৯৫৮) অন্যতম।

১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠনে প্রধান নেতাদের মধ্যে এ কে ফজলুল হক ছিলেন অন্যতম। বাংলায় তিনি কৃষক প্রজা পার্টির মাধ্যমে নিচু জাতের হিন্দু ও মুসলমান উভয় কৃষকদের স্বার্থের পক্ষেই সওয়াল করতেন।

ভিওডি বাংলা/এম 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
মির্জা আব্বাসের পূর্ণ সুস্থতায় সময় লাগবে আরও ২ মাস
মির্জা আব্বাসের পূর্ণ সুস্থতায় সময় লাগবে আরও ২ মাস
গণতন্ত্র ‘উদ্ধার’ হয়েছে, প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে হবে: গয়েশ্বর
গণতন্ত্র ‘উদ্ধার’ হয়েছে, প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে হবে: গয়েশ্বর
শাপলা চত্বরের ঘটনা তদন্তে স্বাধীন কমিশন চান জামায়াত আমির
শাপলা চত্বরের ঘটনা তদন্তে স্বাধীন কমিশন চান জামায়াত আমির