• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
বিএনপিকর্মীকে ‘খেয়ে’ ফেলার হুমকি দিলেন এমপি হানজালা বন্ধ ও অলাভজনক কারখানায় বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক আদালতে তথ্য সংগ্রহে পুলিশের বাধা, আহত ২ সাংবাদিক টেক্সটাইলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনা ছেড়ে ব্রাজিলে যোগদান জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব সদস্য হত্যা, পলাতক আসামি গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে শিশুদের ‘ভোঁ দৌড়’, মাঠজুড়ে উচ্ছ্বাস ভার্সাই প্রাসাদে ট্রাম্পের মধ্যরাতের নাটক রামপুরায় ৪২ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করলো এপিবিএন

তারেক রহমান

শের-ই-বাংলা ছিলেন প্রজ্ঞাবান ও বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ

   ২৭ এপ্রিল ২০২৫, ০১:০৪ পি.এম.

নিজস্ব প্রতিবেদক 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক ছিলেন উপমহাদেশের এক অনন্যসাধারণ, প্রজ্ঞাবান ও বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ। মহান এই নেতার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে এক পোস্টে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ কথা বলেন।

পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘জাতীয় নেতা শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হকের মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি তার অক্ষয়-অমলিন স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।’

‘শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক ছিলেন উপমহাদেশের এক অনন্যসাধারণ, প্রজ্ঞাবান ও বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ। তিনি দেশের গণমানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত সংগ্রাম করে গেছেন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার জন্য তিনি ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। রাজনীতি, সমাজ, শিক্ষা, কৃষিসহ দেশের সামগ্রিক অগ্রগতিতে প্রভূত অবদান রাখেন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক।’

তারেক রহমান আরও লেখেন, ‘ঋণ সালিশি বোর্ড গঠনের মাধ্যমে বাংলার শোষিত ও নির্যাতিত কৃষককূলকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছিলেন। তিনি বঙ্গীয় চাকরি নিয়োগবিধি, প্রজাস্বত্ব আইন, মহাজনি আইন, দোকান কর্মচারী আইন প্রণয়ন করেন, যা এ অঞ্চলের অবহেলিত কৃষক-শ্রমিকের ভাগ্যোন্নয়নে যুগান্তকারী অবদান রেখেছে। আমাদের জাতীয় ইতিহাসে শের-ই-বাংলা ফজলুল হক ছিলেন এক অনন্যপ্রতিভার অধিকারী। স্বাধীনতার চেতনা ও গণতান্ত্রিকবোধ সৃষ্টিতে তার অসামান্য অবদানের কথা এদেশের মানুষের মন থেকে কোনোদিনই বিস্মৃত হবে না।

তার অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা আগামী প্রজন্মের রাজনীতিবিদদের জন্য অনুসরণীয় হয়ে থাকবে। দেশ এবং জাতির কল্যাণে অবদানের জন্য ইতিহাসের পাতায় তার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।’

উল্লেখ্য, আবুল কাশেম ফজলুল হকের জন্ম ২৬ অক্টোবর ১৮৭৩ সালে। মৃত্যুবরণ করেন ২৭ এপ্রিল ১৯৬২ সালে। শের-ই-বাংলা হিসেবে তিনি পরিচিতি লাভ করেন। তিনি প্রখ্যাত আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি রাজনৈতিক অনেক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তার মধ্যে কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩), পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪), পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (১৯৫৫), পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর (১৯৫৬-১৯৫৮) অন্যতম।

১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠনে প্রধান নেতাদের মধ্যে এ কে ফজলুল হক ছিলেন অন্যতম। বাংলায় তিনি কৃষক প্রজা পার্টির মাধ্যমে নিচু জাতের হিন্দু ও মুসলমান উভয় কৃষকদের স্বার্থের পক্ষেই সওয়াল করতেন।

ভিওডি বাংলা/এম 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ঘিরে নেতিবাচক পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে: রিজভী
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ঘিরে নেতিবাচক পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে: রিজভী
জবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খেলা দেখলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক
জবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খেলা দেখলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক
গণতন্ত্র হারানোর শঙ্কা, ফ্যাসিবাদের শিকড় নিয়ে সতর্ক করলেন রিজভী
গণতন্ত্র হারানোর শঙ্কা, ফ্যাসিবাদের শিকড় নিয়ে সতর্ক করলেন রিজভী