• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

বাদ পড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণের দাবি

   ২৮ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:০০ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিগত সরকারের আমলে জাতীয়করণ থেকে বাদ পড়া সব বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি।

সোমবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে সংগঠনটির নেতারা এ দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০১৩ সালে তৎকালীন সরকার দেশের সব বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষণা দিলেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ৪ হাজার ১৫৯টি বিদ্যালয় বাদ রাখা হয়। অথচ তখন ৩০ হাজার ৩৫২টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৬ হাজার ১৯৩টি বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়।

বাদ পড়া বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান ২০১২ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। এমনকি এসব বিদ্যালয় উপজেলা ও জেলাপর্যায়ে যাচাই-বাছাইও সম্পন্ন করেছে। মন্ত্রণালয়ে এসব বিদ্যালয়ের তথ্য সংরক্ষিত থাকলেও জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়নি। জাতীয়করণকালে পাঠদানের অনুমতি ও রেজিস্ট্রেশনের কার্যক্রম স্থগিত রাখায় তাঁরা বেতন-ভাতা ও ছাত্র-ছাত্রীরা উপবৃত্তিসহ অন্যান্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়।

সংগঠনের সভাপতি মামুনুর রশিদ খোকন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে পাঠদান করেও বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণ না হওয়ায় আমাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। আমরা অন্যের সন্তানকে শিক্ষা দিলেও নিজেদের ভাগ্য বদলায়নি। প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

মহাসচিব মো. ফিরোজ উদ্দিন জানান, ২০১৩ সালের ঘোষণার পরও ফ্যাসিস্ট সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ৪ হাজার ১৫৯টি বিদ্যালয় বাদ পড়েছে। এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলী লিটন জানান, বর্তমান সরকার শিক্ষাবান্ধব। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে দেওয়া চিঠি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হলে সারা দেশের প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী উপবৃত্তি, টিফিনসহ শিক্ষা-সুবিধা পাবে এবং প্রাথমিক শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিজানুর রহমান, সদস্য তামান্না ইয়াসমিন, নুরুল ইসলাম, নাসির উদ্দিন, ধরনি মোহন রায়, মনিমোহন বসু, সমুন চাকি, এরশাদুল, জুয়েল, সোহেল রানা, নিজাম উদ্দিন, আনোয়ার, সালাউদ্দিন, মাহবুব, জীবন, শারমিন, তাহের, বকুল, সালেহা, জাকির, রাজিয়া, রায়হান, মেহেরচাঁদ, মহিউদ্দিন, বুলবুল, জাকির, মতিন, দাউদ, হাসিবুলসহ অনেকে।

ভিওডি বাংলা/ এমএইচ

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
স্কুলে গান-নৃত্যে দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা: ববি হাজ্জাজ
স্কুলে গান-নৃত্যে দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা: ববি হাজ্জাজ
এমআইএসটি-তে ‘ফ্রেশার্স ডে ২০২৬’ উদযাপন
এমআইএসটি-তে ‘ফ্রেশার্স ডে ২০২৬’ উদযাপন
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের সাফল্য
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের সাফল্য