‘কঠিন পরীক্ষায়’ পাস করে স্বস্তির বার্তা কেইনের

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছিল আফ্রিকার প্রতিনিধি ডিআর কঙ্গো। প্রায় পাঁচ দশক পর বিশ্বকাপে ফিরে নকআউট পর্বে ওঠা দলটি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ইংল্যান্ডকে চাপে রাখলেও শেষ হাসি হেসেছে হ্যারি কেইনের দল।
বুধবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের আটালান্টা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে ডিআর কঙ্গোকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। তবে স্কোরলাইন যতটা সহজ দেখাচ্ছে, মাঠের লড়াই ছিল তার চেয়ে অনেক বেশি কঠিন।
ম্যাচের শুরুতেই চমক দেখায় ডিআর কঙ্গো। সপ্তম মিনিটে ব্রায়ান চিপেঙ্গা গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে নিজেদের লিড ধরে রাখে আফ্রিকার দলটি। ইংল্যান্ড আক্রমণের পর আক্রমণ চালালেও কঙ্গোর রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি দুর্দান্ত দৃঢ়তা দেখান।
৭৪ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থাকা ইংল্যান্ডের ত্রাতা হয়ে আসেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। ৭৫তম মিনিটে সমতায় ফেরানোর পর ৮৬তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ইংল্যান্ডের হাতে তুলে দেন তিনি। তার ১১ মিনিটের ব্যবধানে করা জোড়া গোলেই নিশ্চিত হয় ইংল্যান্ডের শেষ ষোলোর টিকিট।
ম্যাচ শেষে কঠিন লড়াইয়ের কথা স্বীকার করেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। হ্যারি কেইন বলেন, ‘পুরো সপ্তাহজুড়েই আমরা নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলার বিষয়ে কথা বলেছি। আক্রমণাত্মক দিক থেকে বিচার করলে, সম্ভবত এটিই এই টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত আমাদের সেরা ম্যাচ। অবশ্যই এখনও কিছু জায়গায় উন্নতির সুযোগ রয়েছে। তবে নকআউট পর্বে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পরের রাউন্ডে জায়গা করে নেওয়া।’
ভিওডি বাংলা/এমএস








মন্তব্য