• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ উদ্ধার হাসনাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের মামলা ইরানের সঙ্গে সংলাপ নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট রৌমারীতে ৭ দিন ধরে সীমান্ত শুন্যরেখায় ৫ যুবক তিন বড় ইস্যুতে ‘কোনো আপস নয়’ রাজপথে থাকার ঘোষণা পাটওয়ারীর বাংলাদেশিদের সমর্থন চাইলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সমুদ্রসম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী সেতু কর্তৃপক্ষের ‘সঞ্জিবনী কোর্স’ সম্পন্ন, দক্ষতা বৃদ্ধিতে নতুন উদ্যোগ অর্থ ও ক্ষমতা নয়, কর্মই মানুষকে স্মরণীয় করে রাখে: ডিএসসিসি প্রশাসক মুন্সীগঞ্জের উন্নয়নে একাধিক কর্মসূচিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

নারীর অংশগ্রহণ ছাড়া জাতীয় অগ্রগতি অসম্ভব: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক    ৮ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৯ পি.এম.
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে নারী দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন রাষ্ট্রপতি-ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বলেন, দেশের অর্ধেকের বেশি জনগোষ্ঠী নারী। তাদের রাষ্ট্র ও সমাজের প্রধান ধারায় অন্তর্ভুক্ত না করলে জাতীয় উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব নয়। 

রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহিলা অধিদফতরের মহাপরিচালক মিজ জিনাত আরা। প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, “বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার আনিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।” তিনি নারী শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে জানান, স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে নারী বিষয়ক দফতর প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে গঠন করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এটি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তরিত করেন। তিনি মেয়েদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেন, দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি প্রবর্তন করেন। তার এই যুগান্তকারী উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

বর্তমান সরকারও নারী শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে। মেয়েদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি আগামী ১০ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি মনে করেন, এর মাধ্যমে নারীর সমৃদ্ধি আরও এগিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বেগম খালেদা জিয়া ছাড়াও পাঁচ নারীকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

পুরস্কারপ্রাপ্ত নারীরা হলেন:

এর মধ্যে ‘সফল জননী নারী’ ক্যাটাগরিতে নুরবানু কবীর, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নুরুন নাহার আক্তার, ‘শিক্ষা ও চাকুরিক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী’ ক্যাটাগরিতে মোছা. ববিতা খাতুন, ‘নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে ফেলে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী’ ক্যাটাগরিতে মোছা. শমলা বেগম এবং ‘সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন যে নারী’ ক্যাটাগরিতে মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী হিসেবে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
বন্ধ ও অলাভজনক কারখানায় বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বন্ধ ও অলাভজনক কারখানায় বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
এবারের বাজেট প্রকৃতপক্ষে জনবান্ধব: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
এবারের বাজেট প্রকৃতপক্ষে জনবান্ধব: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে থাকতে চায়: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে থাকতে চায়: সমাজকল্যাণমন্ত্রী