মুশফিকের রেকর্ডে বাংলাদেশের চারশ’ পার, সতর্ক পাকিস্তান

রেকর্ড গড়া ইনিংস খেলে মুশফিকুর রহিমের বিদায়ে চারশ’ রানও হচ্ছিল না বাংলাদেশের। তবে শেষদিকে ১৯ বলে ২৮ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে দলকে সম্মানজনক অবস্থায় নিয়ে গেছেন পেসার তাসকিন আহমেদ। আগেরদিন ৪ উইকেটে ৩০১ করা স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংস থেমে গেছে ৪১৩ রানে। এদিকে, দ্বিতীয় ইনিংসে বেশ সতর্ক হয়ে ব্যাট করছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। ৩৭ ওভারে মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে দলীয় দেড়শ পূর্ণ করেছেন আজান-ইমাম-ফজলরা।
দ্বিতীয় দিনের দেড় সেশনে ১১২ রান যোগ করে বাংলাদেশ। ৩৯তম জন্মদিনে মুশফিকের ২৯তম টেস্ট হাফসেঞ্চুরি ছাড়া আর কেউই বলার মতো রান পাননি। মুশফিক ১৭৯ বলে ৮টি চারের বাউন্ডারিতে ৭১ রানে আউট হওয়ার আগে লিটন দাস ৩৩ রান করেন। এরপর তাসকিনের ৩ চার ও এক ছক্কায় ২৮ রানের ক্যামিও ইনিংসেই চারশ’র বৈতরণী পার হয়েছে বাংলাদেশ।
টেস্টে ষষ্ঠবারের মতো ফাইফার (৫ উইকেট) পেয়েছেন পাকিস্তানের পেসার মুহাম্মদ আব্বাস। ৩৪ ওভারে ৯২ রান খরচ করেন ডানহাতি এই পেসার। ৩১.১ ওভারে ১১৩ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট শিকার করেছেন আরেক পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি।
এর আগে, দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরুর পর চতুর্থ ওভারে শাহিন আফ্রিদির বলে সিঙ্গেল নিয়ে হাফসেঞ্চুরি করেন মুশফিক। ভালো শুরু পেয়েছেন লিটন দাসও। টানা তিনটি চার হাঁকান আফ্রিদির এক ওভারে। যদিও টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ। মুহাম্মদ আব্বাসের বলে প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে করেন ৩৩ রান। এরপর ১০ রান করে ফিরেছেন মেহেদি হাসান মিরাজ। তিনিও আব্বাসের শিকার।
পাকিস্তানি এই পেসারের বলে পুল করতে গিয়ে উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন তাইজুল। ফেরার আগে করেছেন ২৩ বলে ১৭ রান। মধ্যাহ্ন বিরতির আগে মুশফিকের সেঞ্চুরির আশা জাগলেও, ফেরার পর তৃতীয় বলেই শাহিন আফ্রিদির দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে যান। এর আগে ফিফটি করেই বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪২টি পঞ্চাশোর্ধ টেস্ট ইনিংস খেলার রেকর্ড গড়েন মুশফিক।
পরের ওভারে রানের খাতা না খুলতেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন এবাদত। শেষদিকে ৩৯ বলে ২৯ রানের জুটি গড়েন তাসকিন-নাহিদ রানা। এর মধ্যে রানার ৪ রান বাদে বাকিটা এসেছে তাসকিনের মারমুখো ব্যাটিং থেকে। ইনিংসে পাকিস্তানের সেরা বোলার আব্বাসকে ছক্কা হাঁকিয়ে দলীয় রান চারশ’ পার করেন তিনি। শাহিনের বলে আউট হওয়ার আগে করেন ২৮ রান।
এদিকে, দ্বিতীয় ইনিংসে বেশ বুঝেশুনেই ব্যাট চালাচ্ছেন পাকিস্তানের ব্যাটাররা। তাসকিন, এবাদত ও নাহিদ রানাকে দেখেশুনে খেলে ২১ ওভারেই দলীয় শতরান পূর্ণ করেন আজান আওয়াইস ও ইমাম-উল হক। ২২তম ওভারে মিরাজের বলে আউট হওয়ার আগে ৪৫ রান করেন ইমাম। এরপর মাঠে নামেন অভিষিক্ত ব্যাটার আব্দুল্লাহ ফজল। আজানের সঙ্গে জুটি বেধে ৩৭ ওভারে দলীয় দেড়শ রান পূর্ণ করেন তিনি।
ভিওডি বাংলা/এফএ







