সালমান শাহ হত্যা মামলা: ফের পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময়

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় তাঁর সাবেক স্ত্রী সামিরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। আদালত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ জুন পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রমনা মডেল থানার এএসআই আতিকুল ইসলাম খন্দকার প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন। এ নিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দিতে সাতবার সময় নিলেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের এএসআই মো. রেজাউল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর মধ্যরাতে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তাঁর ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলাটি করেন। আদালত মামলার এজাহার গ্রহণ করে তদন্ত কর্মকর্তাকে ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সামিরা হকের মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, চলচ্চিত্র অভিনেতা ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আব্দুস সাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহর সঙ্গে দেখা করতে যান তাঁর মা নীলা চৌধুরী, বাবা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরীসহ পরিবারের সদস্যরা। সেখান থেকে তাঁদের সিলেটে যাওয়ার কথা ছিল। তাঁরা সালমানের বাসায় গিয়ে জানতে পারেন, তিনি ঘুমাচ্ছেন। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খবর পান, সালমানের ‘কিছু একটা হয়েছে’। দ্রুত সেখানে গিয়ে তাঁরা সালমানকে তাঁর শোবার ঘরে পড়ে থাকতে দেখেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সে সময় রুবী নামে এক নারীসহ কয়েকজন সালমানের হাতে-পায়ে তেল মালিশ করছিলেন। সামিরা তখন সালমানের মা-বাবাকে বাসা থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। পরে সালমানকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পা নীলবর্ণ ছিল বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
ভিওডি বাংলা/এফএ







