বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা প্রকাশ করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনতার পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি নির্ভুল ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা জাতির সামনে প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ ঘোষণা দেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
সম্পূরক প্রশ্নে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতাসীন সরকার দলীয় বিবেচনায় কিছু ব্যক্তিকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে, আবার সরকার পরিবর্তনের পর সেই তালিকা থেকে ছাঁটাই-বাছাই হয়েছে। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভরযোগ্য তালিকা জাতি জানতে পারেনি উল্লেখ করে তিনি জানতে চান, বর্তমান সরকারের এমন কোনো পরিকল্পনা আছে কি না যাতে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের শনাক্ত করে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গঠিত দল। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, মাঠে থেকে যুদ্ধ করেছেন। শুধু তাই নয়, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মনে-প্রাণে বিশ্বাস করে, মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রতি তাদের পবিত্র একটি দায়িত্ব রয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, "দেশ স্বাধীনের পর একটি সঠিক ও নিরপেক্ষ মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করা যাদের দায়িত্ব ছিল, তারা সেটি করেনি। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে এই তালিকা তৈরিতে নানা রকম সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে বর্তমানে সরকার বিশেষজ্ঞদের নিয়ে যাতে একটি পূর্ণাঙ্গ এবং সঠিক মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করা যায় সেই চেষ্টা করছে।"
সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি গ্রহণযোগ্য ও নির্ভুল তালিকা প্রকাশের পথ সুগম হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভিওডি বাংলা/এমএস








মন্তব্য