কেন ভিলেন হতে চান পূর্ণিমা?

রোমান্টিক নায়িকা হিসেবেই মানুষের কাছে পরিচিত দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। প্রায় ২৮ বছরের অভিনয়জীবনে জনপ্রিয় ও ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করে মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি। এবার সেই পরিচিত গণ্ডি ভেঙে ভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছার কথা জানালেন পূর্ণিমা।
নিজের অভিনয়জীবন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে পূর্ণিমা জানান, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করলেও কখনো নেগেটিভ চরিত্রে কাজ করার সুযোগ পাননি। তাই ভবিষ্যতে এমন একটি শক্তিশালী চরিত্রে অভিনয় করতে চান, যা মানুষের কাছে তাঁকে নতুনভাবে তুলে ধরবে।
পূর্ণিমা বলেন, ‘সবাই আমাকে রোমান্টিক লুক ও সুন্দরী নায়িকা, পরিপাটি ইমেজে দেখে অভ্যস্ত। কিন্তু এখন আমাকে এর বিপরীতে দেখলে খুব ভালো হয়। আমার খুব ইচ্ছে নেগেটিভ চরিত্র, ভিলেন টাইপের চরিত্রে কিছু করতে চাই। সিনেমা দেখে যেন ওই চরিত্রের প্রতি মানুষের ঘৃণা হয়। আমাকে নিয়ে এ ধরনের চরিত্র কেউ চিন্তাও করেনি আজ পর্যন্ত।’
১৯৯৮ সালের ১৫ মে মুক্তি পাওয়া জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমায় রিয়াজের বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে মাত্র ১৫ বছর বয়সে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে পূর্ণিমার। প্রথম ছবিতেই দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। এরপর ‘যোদ্ধা’, ‘সন্তান যখন শত্রু’, ‘সুলতান’, ‘পিতা-মাতার আমানত’, ‘হৃদয়ের কথা’, ‘বিয়ের প্রস্তাব’, ‘লোভে পাপ পাপে মৃত্যু’, ‘শাস্তি’, ‘সুভা’, ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘বাঁধা’, ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’সহ বেশ কয়েকটি ব্যবসাসফল ও জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।
সমসাময়িক প্রায় সব শীর্ষ নায়কের বিপরীতে অভিনয় করে তিনি ঢালিউডের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা হয়ে পূর্ণিমা। কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিলো না’ চলচ্চিত্রের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পান তিনি।
অভিনয়ে এখন আগের মতো নিয়মিত না হলেও বিনোদন অঙ্গন থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেননি পূর্ণিমা। তাঁর অভিনীত ‘গাঙচিল’ ও ‘জ্যাম’ দীর্ঘদিন ধরে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। সর্বশেষ তাঁকে দেখা গেছে ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘আহারে জীবন’ চলচ্চিত্রে। এরই মধ্যে নতুন চলচ্চিত্রের প্রস্তাবও পাচ্ছেন তিনি। তবে নিজের পছন্দের গল্প ও চরিত্রের অপেক্ষায় রয়েছেন এ অভিনেত্রী। আর সেই অপেক্ষায় গুরুত্ব পাচ্ছে একটি ব্যতিক্রমী নেগেটিভ চরিত্র- যার মাধ্যমে দর্শকদের সামনে নিজেকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে উপস্থাপন করতে চান পূর্ণিমা।
ভিওডি বাংলা/এফএ








মন্তব্য