• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
টপ নিউজ
জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমতি মিলেছে, সহসাই জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের আশা দায়িত্ব নিলেন নতুন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. জাকারিয়া জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী মাউশির ডিজির অতিরিক্ত দায়িত্ব পেলেন প্রফেসর সোহেল হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত, ১৮ এপ্রিলই হচ্ছে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সাক্ষাৎ খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন জাইমা রহমান মামলার জট কমাতে ৮৭১ আদালত ও ২৩২ বিচারক পদ: আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করবেন শুক্রবার

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৫ পি.এম.
প্রধানমন্ত্রীর দফতরে সৌজন্য সাক্ষাতে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ: ছবি-ভিওডি বাংলা

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। 

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও পাঠাভ্যাস উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বাংলাদেশের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। ষাটের দশকে তিনি একজন প্রতিশ্রুতিশীল কবি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং পরবর্তীতে সাহিত্য-সম্পাদক ও সমালোচক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

তার প্রতিষ্ঠিত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র গত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা এবং ‘আলোকিত মানুষ’ তৈরির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানটি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে জ্ঞানচর্চা ও মানবিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ২০০৪ সালে রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া অ-প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বিস্তারে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০০৫ সালে একুশে পদকে ভূষিত করে। প্রবন্ধ সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১২ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।

উল্লেখ্য, ১৯৭০-এর দশকে টেলিভিশন উপস্থাপক হিসেবেও তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে তার অবদান আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

ভিওডি বাংলা/জা

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
মাউশির ডিজির অতিরিক্ত দায়িত্ব পেলেন প্রফেসর সোহেল
মাউশির ডিজির অতিরিক্ত দায়িত্ব পেলেন প্রফেসর সোহেল
ক্রীড়ায়  স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন জোবেরা লিনু
ক্রীড়ায়  স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন জোবেরা লিনু
খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন জাইমা রহমান
খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন জাইমা রহমান