শহীদ জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকী ঘিরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে যুবদল নেতাসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
রোববার (৩১ মে) বিকেলে ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদ গেট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
জানা যায়, শহীদ জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে উপজেলা ও পৌর বিএনপির ব্যানারে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদ। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ এম. এ. হান্নান।
অনুষ্ঠান চলাকালে উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশী একটি পক্ষের সমর্থকদের সঙ্গে সংসদ সদস্য এম. এ. হান্নানের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবদলের দপ্তর সম্পাদক মেহেদী হাসান রনি (২৬) আহত হন। এছাড়া আরও কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, সাবেক সংসদ সদস্য লায়ন হারুনুর রশীদের সমর্থকরা অনুষ্ঠান চলাকালে উপজেলা পরিষদ গেট এলাকায় অবস্থান নেন। এ সময় কয়েকটি সাউন্ড ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
এরপরই উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংসদ সদস্য এম. এ. হান্নান অভিযোগ করে বলেন, পুলিশের উপস্থিতিতেই সন্ত্রাসীরা আমার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আমরা এসব ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেব।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেটু কুমার বড়ুয়া বলেন, উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি চলছিল। কর্মসূচির বাইরে সড়কে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
ভিওডি বাংলা/বিন্দু







