• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
ফ্রান্স সফর নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন রাসিক প্রশাসক মায়ের নামে প্রতিষ্ঠান নামকরণের প্রস্তাব নাকচ করলেন প্রধানমন্ত্রী সড়কবাতি বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনে ফ্রান্স যেতে চান রাসিক প্রশাসক ও নির্বাহী প্রকৌশলী পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় ভিসায় নতুন নিয়ম বিতর্কিত বিলিয়ন ডলারের তহবিল স্থগিতের ইঙ্গিত ট্রাম্প প্রশাসনের যুদ্ধের পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও বেশি প্রস্তুত ইরান: আইআরজিসি বিদ্যুতের দামও বাড়ছে, ঘোষণা বুধবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জ্বালানি থেকে শিক্ষা, একাধিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

সাক্ষ্য দিলেন রামিসার বাবা-মা

নিজস্ব প্রতিবেদক    ২ জুন ২০২৬, ০১:১৭ পি.এম.
আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন রামিসার বাবা-মা। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে আট বছরের শিশু রামিসা হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন তার বাবা-মা।

মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে প্রথমে সাক্ষ্য দেন শিশুটির বাবা, পরে মা।

মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে সোমবার (১ জুন) অভিযোগ গঠন করে আদালত।  এর মধ্য দিয়ে এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়।  

সকাল ৯টার দিকে আসামিদের কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে এনে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।  কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সকাল ১০টা ১২ মিনিটে সোহেলকে, আর সকাল ১০টা ২৪ মিনিটে স্বপ্নাকে আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হয়।   

কাঠগড়ায় ওঠানোর পর স্বপ্না কাঁদতে শুরু করেন।  এ সময় তার সঙ্গে কথা বলতে চান সোহেল। তাকে থামিয়ে দেয় পুলিশ।

সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে বিচারক আসেন এজলাসে। এরপর শুনানি শুরু করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান। তিনি শুরুতে আসামি সোহেলের গণমাধ্যমে এলোমেলো কথা বলার বিষয় তুলে ধরেন। তিনি আদালতের কাছে আবেদন জানান, আসামিরা যাতে যাতায়াতের সময় গণমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ না পান।

এরপর সাক্ষ্য দেওয়া শুরু করেন শিশুটির বাবা। তিনি অসুস্থতার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে চেয়ারে বসে সাক্ষ্য দেন। বিচারকের বিভিন্ন প্রশ্নের জবার দেন।

শিশুটির বাবা সাক্ষ্যে বলেন, ঘটনার দিন সকালে তিনি অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। আনুমানিক সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ তিনি বের হন। বনানী-কাকলীতে পৌঁছানোমাত্র তাকে তার স্ত্রী ফোন দেন। তখন সকাল সোয়া ১০টা বাজে। তিনি বাসায় ফিরে আসেন। এসে দেখেন, বাসার সামনে অনেক লোক জড়ো হয়েছেন। তিনি দৌড়ে তার ফ্ল্যাটের সামনে যান। দেখেন, সেখানে অনেক লোক। তার স্ত্রী বলেন, মেয়ে পাশের ফ্ল্যাটে আটকা পড়ে আছে।  আশপাশ থেকে লোকজন জড়ো হন।

তারা ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া না পেয়ে ফ্ল্যাটের তালা ভাঙার চেষ্টা করেন। অন্যরাও ভাঙার চেষ্টা করেন। পরে তালা ভেঙে দরজা খোলা হয়। ভেতরে ঢুকে কমন রুমের দরজা খুলে দেখেন, শুধু রক্ত আর রক্ত। ভেতরে ঢুকে দেখেন, স্বপ্না দাঁড়িয়ে আছেন রক্তের ওপর। স্বপ্নারা যে রুমে থাকেন, সেই রুমেও গিয়ে দেখেন রক্ত। তাদের স্টিলের খাট। সেই খাটের নিচে তার মেয়ের খণ্ডিত লাশ ছিল। মাথা ছিল বিচ্ছিন্ন।  এরপর আর কিছু তার মনে নেই। পরে তিনি থানায় গিয়ে মামলা করেন।

পরবর্তী প্রশ্নে এই বাবা বলেন, মেয়ের মাথাটা ছিল বালতির ভেতরে। এ সময় আইনজীবী খণ্ডিত মাথার ছবি দেখালে কাঠগড়ায় বসে কেঁদে ফেলেন বাবা। পরে শিশুটির বাবাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।

ভিওডি বাংলা/জা

 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যার বিচার শুরু, সাক্ষ্যগ্রহণ কাল
শিশু রামিসা ধর্ষণ-হত্যার বিচার শুরু, সাক্ষ্যগ্রহণ কাল
সুপ্রিম কোর্ট থেকে হাইকোর্ট কর্মচারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
সুপ্রিম কোর্ট থেকে হাইকোর্ট কর্মচারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
‘ধর্ষণ আমি করেছি, মারছে ডলার’
‘ধর্ষণ আমি করেছি, মারছে ডলার’