ফ্রান্স সফর নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন রাসিক প্রশাসক

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী আধুনিক প্রযুক্তি বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের উদ্দেশ্যে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে ফ্রান্স সফরের আমন্ত্রণ জানানো হলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি এবং সরকারি অনুমোদনও মেলেনি।
মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে রাসিকের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে জানানো হয়, সিগনিফাই বাংলাদেশ লিমিটেড এর পক্ষ থেকে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে সম্ভাব্য এই সফরে রাজশাহী সিটি করপোরেশন বা সরকারের কোনো অর্থ ব্যয় হবে না; বরং সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করবে আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান। একই সঙ্গে স্পষ্ট করা হয়েছে, এ সফর নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি এবং সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো অনুমোদন বা সরকারি আদেশ (জিও) জারি করা হয়নি।
রাসিক আরও জানায়, সম্প্রতি কিছু অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘সড়কবাতি নিয়ে জ্ঞান অর্জন করতে ফ্রান্সে যাচ্ছেন রাসিক প্রশাসক’ শীর্ষক যে তথ্য প্রচার করা হয়েছে, তা আংশিক ও বিভ্রান্তিকর। পাশাপাশি আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানটি রাসিকের কোনো চলমান বা পূর্ববর্তী প্রকল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
সফরের বিষয়ে প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমতির জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো অনুমোদন আসেনি। তাই প্রশাসকের ফ্রান্স সফর নিশ্চিতভাবে হচ্ছে এ ধরনের প্রচার বাস্তবসম্মত নয় বলে জানায় রাসিক সূত্র।
এ বিষয়ে রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন,
“রাজশাহী মহানগরবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। একটি মহল রাজশাহী সিটি করপোরেশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। সরকারি অনুমোদন ছাড়া সফরের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সুযোগ নেই।”
তিনি আরও বলেন, নগরবাসীর স্বার্থে যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগকে তিনি গুরুত্ব দেন। তার ভাষায়, “বিগত সময়ে প্রতিটি সড়কবাতি স্থাপনে প্রায় ৬৩ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসে বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় কমানোর আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে একটি প্রদর্শনী ও মতবিনিময় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন প্রযুক্তির মাধ্যমে কত শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব, তা তুলে ধরা হবে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “ব্যক্তিগতভাবে আমার যাওয়ার কোনো আগ্রহ ছিল না। তবে রাজশাহীর মানুষের স্বার্থে এবং নগরীর জন্য উপকারী কোনো প্রযুক্তি সম্পর্কে জানার সুযোগ থাকলে সেটি বিবেচনা করা প্রয়োজন। কারণ এটি রাজশাহীর উন্নয়ন ও সাশ্রয়ী নগর ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।”
ভিওডি বাংলা/এমএস







