ব্যাটিং লাইনআপে ব্যর্থতা, অস্ট্রেলিয়ার কাছে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে চট্টগ্রামে নামলেও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পুরো সিরিজেই ছন্দহীন ছিল বাংলাদেশ। ফরম্যাট ও ভেন্যু বদলের সঙ্গে সঙ্গে ব্যাটিং লাইনআপের ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যার পরিণতি হোয়াইটওয়াশ।
সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ হেরে আগেই সিরিজ খুইয়ে বসে টাইগাররা। ফলে শেষ ম্যাচটি হয়ে দাঁড়ায় শুধুই মান রক্ষার লড়াই। তবে সেখানেও কোনো প্রতিরোধ গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। ৫৪ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের বড় জয় তুলে নিয়ে সিরিজে বাংলাদেশকে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই করে অস্ট্রেলিয়া।
সিরিজ শেষে বিশ্লেষণে উঠে আসে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা—ব্যাটিং ব্যর্থতা। বিশেষ করে টপ অর্ডারের দায়িত্বহীন ব্যাটিং। তিন ম্যাচে শীর্ষ সারির ব্যাটাররা মিলিয়ে করেছেন মাত্র ১৪১ রান, যা টি-টোয়েন্টির মতো ফরম্যাটে বড় সংগ্রহ গড়ার জন্য একেবারেই অপ্রতুল।
শুধু ওপেনিং বা টপ অর্ডার নয়, ফিনিশাররাও ছিলেন ব্যর্থ। শামীম হোসেন তিন ম্যাচে মাত্র ৮ রান করতে পেরেছেন এবং পুরো সিরিজজুড়েই ছিলেন বিবর্ণ। অন্যদিকে নুরুল হাসান সোহান এক ম্যাচ খেলে করেন ৬ রান।
ব্যাটারদের পাশাপাশি বোলাররাও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নিতে ব্যর্থ হন। রানের গতি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ থাকলেও সেটি কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে হতাশা প্রকাশ করেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। তিনি বলেন, ‘আমাদের সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজগুলোতে যেভাবে খেলেছি, সে হিসেবে এটা অত্যন্ত হতাশাজনক। গত ম্যাচে হারার পরও দলের এটিটিউড দেখে আমি খুশি ছিলাম। অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের বিপক্ষে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৯০ রান ভালো লড়াই। তবে প্রথম ম্যাচ ও আজকের ম্যাচ, বিশেষ করে ব্যাটিং ইউনিট… খুব হতাশার। বোলারদের জেতানোর মতো কিছুই দিতে পারিনি।’
সিরিজ থেকে নেওয়ার মতো শিক্ষা কী- এ প্রশ্নে সিমন্স বলেন, ‘এটা সিরিজ নিয়ে কথা নয়, ব্যাপার হলো আমরা কীভাবে খেলতে চাই। আমরা অবশ্যই দ্রুত রান করতে চাই। তবে পরিস্থিতি বুঝেও খেলতে হবে। তামিমের উইকেটের পর আমরা সবাই উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছি। দায়িত্ব নিতে হবে তো মাঝখানে কাউকে। আজ শুধু হৃদয়ই নিয়েছে।’
ভিওডি বাংলা/এমএস







