মার্টিনেজ না ভোজিনহা, কার জাদুতে খুলবে শেষ ষোলোর দরজা

বিচারে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এগিয়ে থাকলেও ম্যাচটিকে ঘিরে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে দুই দলের দুই গোলরক্ষককে কেন্দ্র করে। একপাশে আছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, অন্যদিকে আলোচনায় কেপ ভার্দের ভোজিনহা, যিনি স্পেনের মতো শক্তিশালী দলকে গোলশূন্য রাখতে সক্ষম হয়েছেন।
আগামীকাল শনিবার (০৪ জুলাই) বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় মাঠে নামবে দুই দল। ম্যাচে স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন লিওনেল মেসি। তবে গোলপোস্টের নিচে মার্টিনেজ ও ভোজিনহার পারফরম্যান্সও ম্যাচের ফল নির্ধারণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
গ্রুপ পর্বে দারুণ ছন্দে ছিলেন ভোজিনহা। তিন ম্যাচে দুটি ক্লিন শিট রাখার পাশাপাশি স্পেনের বিপক্ষে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে নজর কাড়েন তিনি। উরুগুয়ের বিপক্ষে দুটি গোল হজম করলেও দলকে ২-২ গোলে ড্র এনে দিতে ভূমিকা রাখেন। এছাড়া সৌদি আরবের বিপক্ষেও তিনটি সেভ করেন এই গোলরক্ষক। সব মিলিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষে ১০টি সেভ ও দুটি ক্লিন শিট নিয়ে নকআউট নিশ্চিত করেছে কেপ ভার্দে।
অন্যদিকে আর্জেন্টিনার এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে গ্রুপ পর্বে খুব বেশি চাপে পড়তে হয়নি। তিন ম্যাচে দুটি ক্লিন শিট রেখেছেন তিনি। জর্ডানের বিপক্ষে একটি গোল হজম করলেও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ একটি সেভ করেন। আলজেরিয়ার বিপক্ষে তাকে কোনো সেভই করতে হয়নি।
পরিসংখ্যান বলছে, ভোজিনহার ওপর চাপ ছিল তুলনামূলক বেশি। কারণ পুরো গ্রুপ পর্বেই কেপ ভার্দের রক্ষণভাগকে প্রতিপক্ষের একের পর এক আক্রমণ সামলাতে হয়েছে। বিপরীতে আর্জেন্টিনার শক্তিশালী ডিফেন্স মার্টিনেজকে তুলনামূলক স্বস্তিতেই রেখেছে।
তবে নকআউট পর্বে আগের হিসাব খুব বেশি গুরুত্ব পায় না। মেসিদের আক্রমণভাগের সামনে ভোজিনহার জন্য অপেক্ষা করছে কঠিন পরীক্ষা। একই সঙ্গে কেপ ভার্দের স্বপ্ন থামিয়ে দিতে প্রস্তুত মার্টিনেজও। শেষ পর্যন্ত কোন গোলরক্ষক নিজের দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নিতে পারবেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
দুই গোলরক্ষকের লড়াইয়ের পাশাপাশি ম্যাচটির অন্যতম আকর্ষণ হবে আর্জেন্টিনার তারকাবহুল আক্রমণভাগ ও কেপ ভার্দের সংগঠিত রক্ষণ। শেষ বাঁশি বাজার পর কার মুখে হাসি ফুটবে, ভোজিনহা নাকি মার্টিনেজ, সেই উত্তর মিলবে মাঠের লড়াইয়েই।
ভিওডি বাংলা/এমএস








মন্তব্য