{# Both bootstrap.min.css (190KB) and style.css (129KB) async-loaded via preload + onload swap. Inline critical CSS above covers above-the-fold. #} {# Third-party scripts: GA / ShareThis / Cloudflare on idle. AdSense is special — show_ads_impl_fy2021.js was eating 2.1s CPU, so it loads ONLY when an ad slot is near the viewport. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

নাসার নতুন পর্যবেক্ষণে ব্ল্যাকহোলের শেষ প্রান্তের রহস্য উন্মোচন

ভিওডি বাংলা ডেস্ক    ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:২৬ পি.এম.
নাসার সর্বাধুনিক জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে সার্সিনাস গ্যালাক্সির সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোলের স্বচ্ছ ছবি। ছবি: সংগৃহীত

ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বর মহাকাশের সবচেয়ে রহস্যময় বস্তুগুলোর মধ্যে একটি। এর শেষ প্রান্তে কী আছে তা জানতে বিজ্ঞানীরা যুগের পর যুগ ধরে গবেষণা চালাচ্ছেন। সম্প্রতি নাসা এই রহস্য উন্মোচনে বড় অগ্রগতি করেছে।

পৃথিবী থেকে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত সার্সিনাস গ্যালাক্সির কেন্দ্রে থাকা একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোলের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে স্বচ্ছ ছবি সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, ব্ল্যাকহোল আশপাশের মহাকাশে শক্তিশালী বিকিরণ ছড়াচ্ছে। তপ্ত গ্যাস ও ধূলিকণার মেঘ অত্যন্ত উজ্জ্বলভাবে দৃশ্যমান হয়েছে, যা আগে কখনো এত স্পষ্টভাবে দেখা যায়নি।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই নতুন ছবি ব্ল্যাকহোল সম্পর্কিত দীর্ঘদিনের রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সাধারণভাবে সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল তাদের আশপাশের গ্যালাক্সি থেকে পদার্থ গ্রাস করে সক্রিয় থাকে। ব্ল্যাকহোলে পদার্থ প্রবেশের সময় ঘন ডোনাট আকৃতির বলয় তৈরি হয়, যাকে 'টোরাস' বলা হয়। প্রচণ্ড ঘর্ষণের কারণে টোরাস উত্তপ্ত হয়ে তীব্র আলো বিকিরণ করে।

ব্ল্যাকহোলের দুই মেরু থেকে বিপুল পরিমাণ পদার্থ দ্রুতগতিতে বাইরে ছিটকে যায়, যা 'আউটফ্লো' নামে পরিচিত। তবে ১৯৯০-এর দশক থেকে বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেছেন, ব্ল্যাকহোলের কেন্দ্রে অতিরিক্ত ইনফ্রারেড আলোর উপস্থিতি ধরা পড়লেও প্রচলিত মডেল দিয়ে এর সঠিক ব্যাখ্যা সম্ভব হচ্ছিল না।

এই সমস্যার সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যারোলাইনার গবেষক এনরিকে লোপেজ-রদ্রিগেজ ও তার দল জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপে 'অ্যাপারচার মাস্কিং ইন্টারফেরোমিটার' প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন। এই প্রযুক্তি টেলিস্কোপের বিশাল আয়নাকে সাতটি ছোট লেন্সে ভাগ করে ছবির রেজোলিউশন বহুগুণ বাড়াতে সাহায্য করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, সার্সিনাস গ্যালাক্সির ব্ল্যাকহোল থেকে নির্গত ইনফ্রারেড বিকিরণের প্রায় ৮৭ শতাংশ আসছে টোরাস থেকে। বিপরীতে আউটফ্লো থেকে আসছে মাত্র ১ শতাংশেরও কম বিকিরণ। এই ফলাফল জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের ধারণাকে আমূল বদলে দিয়েছে।

গবেষকরা বলছেন, এই আবিষ্কার মহাজাগতিক মডেলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। তবে আরও শক্তিশালী ব্ল্যাকহোলের ক্ষেত্রে ফলাফল ভিন্ন হতে পারে। লোপেজ-রদ্রিগেজ উল্লেখ করেন, ব্ল্যাকহোলের শক্তি ও ভরের সম্পর্ক পুরোপুরি বোঝার জন্য অন্তত ডজনখানেক ব্ল্যাকহোল নিয়ে আরও গবেষণা করা প্রয়োজন।

মহাবিশ্বের সবচেয়ে রহস্যময় বস্তু ব্ল্যাকহোলকে বোঝার পথে এই গবেষণাকে বিজ্ঞানীরা একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখছেন।

সূত্র: ডেইলি মেইল

ভিওডি বাংলা/জা
 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
হ্যাকারের ফাঁদে ৩০ হাজার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট
হ্যাকারের ফাঁদে ৩০ হাজার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট
হোম অ্যাপ্লায়েন্স নিয়ে এলো শাওমি
হোম অ্যাপ্লায়েন্স নিয়ে এলো শাওমি
ওপেনএআই স্মার্টফোন আনছে চ্যাটজিপিটি নির্মাতা
ওপেনএআই স্মার্টফোন আনছে চ্যাটজিপিটি নির্মাতা