{# Both bootstrap.min.css (190KB) and style.css (129KB) async-loaded via preload + onload swap. Inline critical CSS above covers above-the-fold. #} {# Third-party scripts: GA / ShareThis / Cloudflare on idle. AdSense is special — show_ads_impl_fy2021.js was eating 2.1s CPU, so it loads ONLY when an ad slot is near the viewport. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
টপ নিউজ
শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক উত্থানের নাটকীয় অধ্যায় ধর্মীয় মনীষীদের আদর্শ অনুসরণ করলে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে: আবদুস সালাম পুলিশের ওপর জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা আমাদের অগ্রাধিকার মা দিবসে বিশেষ স্বীকৃতি পাচ্ছেন ববিতা শিক্ষার্থীদের ‘গ্লোবাল সিটিজেন’ হিসেবে গড়তে চায় সরকার: মাহদী আমিন হামে শিশুমৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখছে সরকার: স্বাস্থ্যসচিব জেনারেল মাসুদ সরিয়েছে আড়াই বিলিয়ন ডলার মমতাকে আনফলো করল কলকাতা পুলিশ, ফলো তালিকায় মোদি-শুভেন্দু জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারে পক্ষপাত নয়: চিফ প্রসিকিউটর ক্যাবল অপারেটরদের যৌক্তিক সমস্যার সমাধান করবে সরকার: প্রযুক্তিমন্ত্রী

মমতার ঘনিষ্ঠ থেকে মুখ্যমন্ত্রী

শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক উত্থানের নাটকীয় অধ্যায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    ৯ মে ২০২৬, ০৯:০৪ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

মাত্র পাঁচ বছরের ব্যবধানে রাজনীতির নাটকীয় মোড় ঘুরে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার শীর্ষে উঠে এসেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এক সময় যিনি ছিলেন মমতা ব্যানার্জির ঘনিষ্ঠ সহযোগী, তিনিই এখন তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শনিবার (৯ মে)।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আউটলুক ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক পরিচয় মূলত তিনটি বিষয়কে ঘিরে গড়ে উঠেছে—নন্দিগ্রামের জমি অধিগ্রহণবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব, মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে তীব্র রাজনৈতিক বিরোধ এবং তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যোগদান।

একসময় মমতার অত্যন্ত আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত শুভেন্দু ২০২০ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন, যা পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণ পুরোপুরি বদলে দেয়।

তৃণমূল ছাড়ার পেছনের কারণ

২০২০ সালের ডিসেম্বরে নানা জল্পনার পর তিনি তৃণমূলের সব পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং একই সঙ্গে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ, সেচ ও জলসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ান। পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেন।

তাঁর দলত্যাগের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে দলীয় অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এবং বিশেষ করে মমতার ভাইপো অভিষেক ব্যানার্জির ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে অসন্তোষকে উল্লেখ করা হয়।

শুভেন্দুর রাজনৈতিক পরিবারও দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ছিল। তাঁর বাবা ছিলেন কংগ্রেস রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। পরে ১৯৯৮ সালে তারা তৃণমূলে যোগ দেন এবং দলটির শুরুর দিকের নেতাদের একজন হয়ে ওঠেন। ২০০৬ সালে তিনি প্রথমবার পৌরসভা নির্বাচনে জয়ী হন।

নন্দিগ্রাম থেকে জাতীয় রাজনীতিতে উত্থান

২০০৭ সালে নন্দিগ্রামে শিল্প প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে তিনি আলোচনায় আসেন। সেই আন্দোলনে গ্রামবাসীদের কাছে তিনি ‘নন্দিগ্রামের হিরো’ হিসেবে পরিচিতি পান। এই আন্দোলনই পরবর্তীতে বাম শাসনের ভিত নাড়িয়ে দেয় এবং ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসে।

এর আগে ২০০৯ সালে তামলুক লোকসভা আসনে জয়ী হন শুভেন্দু, এবং ২০১৪ সালেও আসনটি ধরে রাখেন। ২০১৬ সালে সংসদ সদস্য পদ ছেড়ে নন্দিগ্রাম থেকে বিধানসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হন। এরপর মমতা তাঁকে পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেন।

২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত তিনি তৃণমূলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রভাবশালী নেতা হিসেবে বিবেচিত ছিলেন। তবে দলীয় নেতৃত্বে অভিষেক ব্যানার্জির প্রভাব বাড়তে থাকায় তাঁর অসন্তোষ বাড়ে।

মমতার বিরুদ্ধে নির্বাচনী লড়াই

২০২১ সালে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নন্দিগ্রাম থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি সরাসরি মুখোমুখি হন মমতা ব্যানার্জির। ওই নির্বাচনে তিনি মমতাকে ১,৯৫৬ ভোটে পরাজিত করেন।

এরপর সর্বশেষ নির্বাচনে ভবানীপুরে মমতাকে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত করে বড় রাজনৈতিক বার্তা দেন তিনি। এই নির্বাচনে বিজেপি ২৯৪ আসনের মধ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেয়ে প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করে।

সূত্র: আউটলুক ইন্ডিয়া

ভিওডি বাংলা/এমএস 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
যুদ্ধকৌশলে পর্দার আড়ালে নীতি নির্ধারণে মোজতবা খামেনি
যুদ্ধকৌশলে পর্দার আড়ালে নীতি নির্ধারণে মোজতবা খামেনি
শপথ নিলেন শুভেন্দুর ৫ মন্ত্রী
শপথ নিলেন শুভেন্দুর ৫ মন্ত্রী
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু