{# Both bootstrap.min.css (190KB) and style.css (129KB) async-loaded via preload + onload swap. Inline critical CSS above covers above-the-fold. #} {# Third-party scripts: GA / ShareThis / Cloudflare on idle. AdSense is special — show_ads_impl_fy2021.js was eating 2.1s CPU, so it loads ONLY when an ad slot is near the viewport. #}
  • ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১

রাইস কুকারের সর্বোত্তম ব্যবহার:

ঝরঝরে ভাত ও দীর্ঘস্থায়ী যন্ত্র নিশ্চিত করার টিপস

লাইফস্টাইল    ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:০৭ পি.এম.
আধুনিক রান্নাঘরে রাইস কুকার শুধু ভাত নয়-ছবি-ভিওডি বাংলা

আধুনিক ব্যস্ত জীবনে রাইস কুকার রান্নাঘরের একটি অপরিহার্য যন্ত্র হয়ে উঠেছে। তবে অনেকেই মনে করেন, শুধু চাল ও পানি মিলিয়ে সুইচ টিপলেই যথেষ্ট। বাস্তবে নিখুঁত ঝরঝরে ভাত পাওয়া এবং যন্ত্রটির দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মেনে চলা প্রয়োজন।

রাইস কুকার ব্যবহার শুরু করার প্রথম ধাপেই অনেকে চাল না ধুয়ে রান্না করার ভুল করেন। চালের গায়ে থাকা বাড়তি স্টার্চ বা মাড় ধুয়ে না নিলে ভাত আঠালো হয়ে যায় এবং রান্নার সময় পানি উপচে যেতে পারে। এতে রান্নাঘর নোংরা হয় এবং কুকারের তলায় ভাত পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এছাড়া, চাল ও পানির সঠিক অনুপাত বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

ভিন্ন ধরনের ভাতের জন্য পানির পরিমাণও ভিন্ন হয়। যেমন বাসমতী, জেসমিন বা ব্রাউন রাইসের ক্ষেত্রে পানির মাত্রা আলাদা। সঠিক পরিমাপ না করলে ভাত হয় বেশি শক্ত বা একদম গলে যায়। এছাড়াও, কুকারের ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি চাল ও পানি দিলে কেবল রান্নাঘর নোংরা হয় না, যন্ত্রের কার্যক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

রান্নার সময় বারবার ঢাকনা খোলা একটি সাধারণ ভুল। এতে কুকারের বাষ্প বের হয়ে যায়, ভাত সমানভাবে সেদ্ধ হয় না। দীর্ঘ সময় ‘কিপ ওয়ার্ম’ মোডে ভাত রাখাও ক্ষতিকর। সাধারণত ১২ ঘণ্টার বেশি এই মোডে রাখলে ভাত শুকিয়ে শক্ত হয়ে যায় এবং এর প্রাকৃতিক ঘ্রাণ নষ্ট হয়।

রান্নার পর অন্তত ৫–১০ মিনিট ঢাকনা বন্ধ রাখা উচিত। এতে অবশিষ্ট বাষ্প ভাতকে ঝরঝরে এবং নরম রাখে।

রাইস কুকারের নন-স্টিক কোটিংয়ের যত্নও গুরুত্বপূর্ণ। স্টিল বা অ্যালুমিনিয়ামের চামচ ব্যবহার করলে কোটিং নষ্ট হয়। সবসময় প্লাস্টিক বা কাঠের চামচ ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ।

রাইস কুকারের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। এটি জানালার পর্দা বা কাঠের শেলফের নিচে রাখা উচিত নয়, কারণ রান্নার সময় বের হওয়া গরম ভাপ এসব জিনিসকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। পরিষ্কার করার সময় প্লাগ খুলে রাখা এবং বৈদ্যুতিক সংযোগস্থলে পানি না লাগানোর বিষয়েও সতর্ক থাকা জরুরি।

কেবল ভাত রান্নার যন্ত্র হিসেবে রাইস কুকারকে দেখা ভুল। এটি বহুমুখী যন্ত্র। এর সাহায্যে ওটস, ডাল, সবজি এমনকি কেকও তৈরি করা যায়। নতুন কুকার কেনার সময় সবসময় নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ড বেছে নেওয়া উচিত এবং ব্যবহার শুরু করার আগে প্রস্তুতকারকের নির্দেশিকা পড়া উচিত।

যদি প্লাগ বা সকেটে অস্বাভাবিক শব্দ বা অতিরিক্ত তাপ অনুভব হয়, সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার বন্ধ করে পেশাদার মেকানিকের সাহায্য নেওয়া উচিত। সঠিক যত্ন ও সচেতন ব্যবহার নিশ্চিত করলে রাইস কুকার বছরের পর বছর নতুনের মতো কার্যকর থাকে।

সুত্র: দ্য ডেইলি মিল

ভিওডি বাংলা/জা
 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
খাবারের ভিডিও দেখলেই কমতে পারে ক্ষুধা, বলছে নতুন গবেষণা
খাবারের ভিডিও দেখলেই কমতে পারে ক্ষুধা, বলছে নতুন গবেষণা
সুস্থ জীবনের সহজ ও কার্যকর চাবিকাঠি, পাতাযুক্ত শাকসবজি
সুস্থ জীবনের সহজ ও কার্যকর চাবিকাঠি, পাতাযুক্ত শাকসবজি
গরমে কেন বাড়ে পেটের সমস্যা?
গরমে কেন বাড়ে পেটের সমস্যা?