• ঢাকা বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ৩ পৌষ ১৪৩১
  • live
টপ নিউজ
জুয়া প্রতিরোধসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের খসড়া অনুমোদন পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া টেকসই নগরী সম্ভব নয় বিডার ভরসা দেশি বিনিয়োগে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, তুমুল বিতর্ক চোখের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে অপটোমেট্রি পেশার স্বীকৃতি প্রয়োজন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সদরঘাটে নৌ পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেপ্তার মাদক প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠনের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের ১২ হাজার কোটি টাকা বনদস্যুতা নির্মূলে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে: কোস্ট গার্ড ডিজি

ভোজ্যতেলের শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলোর সরবরাহ সীমিত

নিজস্ব প্রতিবেদক    ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩১ পি.এম.
ছবি: সংগৃহীত

সরকারি হস্তক্ষেপের পর দেশে ভোজ্য তেলের সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও বাজারে এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরেনি। রাজধানীর কারওয়ানবাজারসহ বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া গেলেও চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ঘাটতি রয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতারা।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহ ব্যবধানে কিছু কোম্পানির সরবরাহ বাড়লেও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত হয়নি। ফলে কিছু ব্র্যান্ডের তেল দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে এবং কয়েকটি কোম্পানির পণ্য বাজারে প্রায় অনুপস্থিত।

খুচরা বিক্রেতাদের মতে, বাজারে যে পরিমাণ তেল আসছে তা ক্রমবর্ধমান চাহিদার তুলনায় অপর্যাপ্ত। ফলে ক্রেতারা নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড খুঁজে না পেয়ে বিকল্প ব্র্যান্ডের দিকে ঝুঁকছেন।

বাংলাদেশের ভোজ্য তেল বাজার মূলত কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে। বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সয়াবিন ও রিফাইন্ড তেলের বড় অংশ সরবরাহ করে কয়েকটি প্রধান কোম্পানি—মেঘনা গ্রুপ, সিটি গ্রুপ, টিকে গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ, আবুল খায়ের গ্রুপ এবং বাংলাদেশ এডিবল অয়েল লিমিটেড (রূপচাঁদা ব্র্যান্ড)।

এসব শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলোর সরবরাহ সীমিত হয়েছে বলে বাজার ঘুরে দেখা গেছে। তাদের তেল চাহিদার শীর্ষে থাকলেও অহরহ মিলছে না।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের মোট ভোজ্য তেল সরবরাহের প্রায় ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে এই কয়েকটি বড় কোম্পানি। ফলে এদের উৎপাদন, আমদানি বা বিতরণে সামান্য বিঘ্ন ঘটলেই পুরো বাজারে সরাসরি প্রভাব পড়ে।

পাইকারি ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, কিছু কোম্পানির সরবরাহ তুলনামূলকভাবে নিয়মিত থাকলেও কয়েকটি ব্র্যান্ডের তেল বাজারে প্রায় অনুপস্থিত। আবার যে পরিমাণ পণ্য বাজারে আসছে, তা দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। এতে করে খুচরা পর্যায়ে অস্থিরতা বজায় রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভোজ্য তেল বাজারে কাঠামোগতভাবে সীমিত সংখ্যক বড় কোম্পানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামাল ক্রুড সয়াবিন অয়েল ও পাম অয়েল আমদানি-নির্ভর হওয়ায় ডলার সংকট, এলসি জটিলতা এবং বৈশ্বিক দামের ওঠানামা সরাসরি দেশীয় বাজারে প্রভাব ফেলে।

এছাড়া বিতরণ ব্যবস্থায় সমন্বয়হীনতা এবং একাধিক পর্যায়ে মজুতের প্রবণতাও বাজার অস্থিরতার একটি কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সরকারি পর্যায়ে মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা থাকলেও বাজারে পূর্ণ স্বাভাবিকতা ফিরতে এখনো সময় লাগবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র সরবরাহ বাড়ানোই নয়, বরং বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি ও আমদানি নির্ভরতা কমানো না গেলে এই ধরনের সংকট বারবার দেখা দিতে পারে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোক্তারা বলছেন, বাজারে তেল পাওয়া গেলেও নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের অনিয়মিত সরবরাহ এবং দাম স্থিতিশীল না থাকায় স্বস্তি পুরোপুরি ফিরে আসেনি।

ভিওডি বাংলা/আরআর/এমএস 

  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী: ওয়েব
প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী: ওয়েব
তামাকপণ্য সহজলভ্য হলে রাজস্ব আয় কমবে: আহছানিয়া মিশন
তামাকপণ্য সহজলভ্য হলে রাজস্ব আয় কমবে: আহছানিয়া মিশন
প্রস্তাবিত বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বরাদ্দ অপ্রতুল: সিপিডি
প্রস্তাবিত বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বরাদ্দ অপ্রতুল: সিপিডি