গাজীপুরে ফাইভ মার্ডার
মা, তিন মেয়ে ও ভাইয়ের দাফন সম্পন্ন

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার মা, তিন মেয়ে ও ভাইকে গোপালগঞ্জে তাদের গ্রামের বাড়িতে পাশাপাশি কবরে দাফন করা হয়েছে।
রোববার (১০ মে) বেলা ১১টার দিকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উত্তর চরপাড়া নতুন কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়। এর আগে, সদর উপজেলার পাইককান্দি মাদরাসা মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (৯ মে) সকালে কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তারা হলেন- গোপালগঞ্জ সদরের পাইককান্দি গ্রামের শাহাদাত হোসেন মোল্লার মেয়ে শারমিন আক্তার, নাতনি মীম খানম, উম্মে হাবিবা, ফারিয়া ও ছেলে রসুল মিয়া।
এ ঘটনায় শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়ার নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত ৩-৪ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন শাহাদাত হোসেন।
অভিযুক্ত ফোরকান পেশায় প্রাইভেটকার চালক। তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মেরী গোপীনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ফোরকান মিয়া।
নিহতদের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে স্ত্রী শারমিন, তিন মেয়ে ও শ্যালক রসুলকে গলা কেটে হত্যা করেন ফোরকান। এরপর নিজেই স্বজনদের ফোন করে এ খবর জানান। শনিবার ভোরে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পাঁচজনের মরদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ সময় ঘটনাস্থলে পাওয়া নাম ও স্বাক্ষরবিহীন একটি চিঠি থেকে জানা যায়, ফোরকানের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়ে নিজ এলাকায় জমি কিনেছেন শ্বশুর শাহাদাত। এখন সেই টাকা ফেরত দিচ্ছেন না। এছাড়া তার স্ত্রী শারমিন পরকীয়ায় আসক্ত। এসব বিষয় নিয়ে স্ত্রী ও শ্বশুরের সঙ্গে বেশ কয়েকবার দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন ফোরকান। এমনকি স্ত্রীর হাতে নির্যাতনের শিকারও হয়েছেন তিনি।
চিঠিতে স্ত্রী ও শ্বশুরের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি বরাবর আবেদন করেছেন ফোরকান।
ভিওডি বাংলা/এফএ







