শাড়ি প্রতারণার মামলায় মুখ খুললেন তানজিন তিশা

প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। তিনি বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই এত দিন নীরব ছিলেন এবং পুরো বিষয়টির জবাব আইনিভাবেই দেবেন।
১২ জুলাই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি করে ১৩ আগস্ট আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নিয়ে সেটির প্রচারণা ও মূল্য পরিশোধের আশ্বাস দিয়েছিলেন তিশা। তবে পরে তিনি আর যোগাযোগ করেননি বলে অভিযোগ করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসক আমিনুল ইসলাম। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে মামলা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন অভিনেত্রী। তিনি বলেন, “আমি এই ইন্ডাস্ট্রিতে ১২–১৪ বছর ধরে কাজ করছি। ভালো-মন্দ মিলিয়ে নিজের জায়গা তৈরি করেছি।”
তিশা জানান, সিনেমার শুটিং শুরুর পরদিনই তিনি আইনি নোটিশ পান এবং কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কেউ যখন সামনে এগোতে চায়, তখন কিছু মানুষ তাকে পেছন থেকে টেনে ধরার চেষ্টা করে। আমার ক্ষেত্রেও তেমনটাই হয়েছে বলে মনে হয়েছে।”
শাড়ি নিয়ে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, “আমি ১৪ বছর ধরে কাজ করছি ২৭ হাজার টাকার একটি শাড়ির জন্য নিজের সম্মান নষ্ট করার উদ্দেশ্যে নয়। এই জায়গায় আসতে আমাকে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। একজন নারীর জন্য এই ইন্ডাস্ট্রিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়াটা মোটেও সহজ নয়।”
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে তাঁর অনেক কিছু বলার আছে। তবে বিচারাধীন হওয়ায় এখনই বিস্তারিত মন্তব্য করতে চান না। আইনের প্রতি সম্মান রেখে আদালতেই নিজের অবস্থান তুলে ধরবেন।
এদিকে, ছোট পর্দার পাশাপাশি বড় পর্দায়ও অভিষেকের অপেক্ষায় রয়েছেন তানজিন তিশা। তাঁর অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘সোলজার’ শিগগিরই মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
ভিওডি বাংলা/তা








মন্তব্য