কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

নোয়াখালীর হাতিয়ায় ১২ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পরিদর্শক) খোরশেদ আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে নোয়াখালী পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের অভিযোগ, শিশুটির মা ও ভাই জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে রান্নার কাজ করেন দীর্ঘদিন ধরে। সেই সূত্রে ওই কিশোরীও সেখানে যাতায়াত করত। পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম ওই মেয়েটিকে বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডেকে নিতেন। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।
ভুক্তভোগীর পরিবার আরও অভিযোগ করেছে, এসব ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা হুমকি দিতেন।
অভিযোগের বিষয়ে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পরিদর্শক) খোরশেদ আলম বলেন, ‘এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক।’
এর পেছনে এক এএসআই রয়েছে জানিয়ে খোরশেদ বলেন, ‘জাহাজমারায় কর্মরত এক এএসআইকে অনিয়মের কারণে বদলি করা হয়। এরপর থেকে এএসআই আমার প্রতি ক্ষুব্ধ।’
তিনি আরও বলেন, ‘যাকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, সে ওই এএসআইয়ের বাসায় কাজ করত। তাই মনে করি, এটি পরিকল্পিতভাবে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর অংশ। সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।’
হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনাটি সংবেদনশীল হিসেবে বিবেচনা করে প্রাথমিকভাবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
ভিওডি বাংলা/এফএ







